বিশ্ববিখ্যাত ধনকুবের ইলন মাস্ক মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর স্বপ্ন দেখেন, রকেট বানান, টেসলা নিয়ে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। কিন্তু প্রযুক্তির দুনিয়ায় বাংলাদেশ যে তাঁকে অনেক আগেই দশ গোল দিয়ে বসে আছে, সে খবর কি তিনি রাখেন? তাঁর উড়ন্ত গাড়ি বানাতে লাগে কোটি ডলারের গবেষণা, আর আমাদের রকেট রিকশাকে আকাশে তুলতে লাগে রাস্তার একটা মাঝারি আকারের গর্ত! ইলন মাস্ক তো দিবাস্বপ্ন দেখেন! আমাদের টমটম তো রোজই আকাশে ওড়ে!
ঢাকার রাস্তায় রকেট রিকশায় উঠলেই বোঝা যায়, মহাকাশ ভ্রমণের জন্য নাসায় ভর্তি হওয়ার দরকার নেই। রাস্তার খানাখন্দে টমটমের ঝাঁকুনিতে যাত্রীরা এমনভাবে শূন্যে ভাসেন যে মুহূর্তের জন্য মনে হয় কোনো স্পেসশিপে চড়ে বসেছেন। কয়েক সেকেন্ডের জন্য মনে হয়, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তি বুঝি ছুটিতে গেছে।
অবতরণের পর অবশ্য বোঝা যায়, মহাকাশযাত্রা শেষ হলেও কোমরটা এখনো পৃথিবীতেই পড়ে আছে!‘মামা, হাওয়ার ওপর চলে গাড়ি, লাগে না পেট্রল-ডিজেল!’এই রকেট রিকশাগুলোই হলো আমাদের গরিবের লো বাজেটের টেসলা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।