মানুষের মস্তিষ্কে প্রায় ৮ হাজার ৬০০ কোটি স্নায়ুকোষ রয়েছে। এই বিপুলসংখ্যক স্নায়ুকোষ নিজেদের মধ্যে বৈদ্যুতিক ও রাসায়নিক সংকেত আদান-প্রদানের মাধ্যমে আমাদের চিন্তা, স্মৃতি, আবেগ, ভয়, আনন্দ, সিদ্ধান্ত ও আচরণের জটিল জগৎ সৃষ্টি করে।
কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে স্নায়ুবিজ্ঞানের সামনে একটি মৌলিক প্রশ্ন ছিল—মস্তিষ্কের কোনো বিশেষ আচরণ, স্মৃতি বা অনুভূতির জন্য ঠিক কোন স্নায়ুকোষ বা স্নায়ুবর্তনী (স্নায়ুকোষের কার্যকর নেটওয়ার্ক) দায়ী, তা নিশ্চিতভাবে বোঝা যাবে কীভাবে? এই প্রশ্নের উত্তর খোঁজার পথ আমূল বদলে দিয়েছেন তিন বিজ্ঞানী—কার্ল ডাইসেরথ, পিটার হেগেমান ও গেয়র্গ নাগেল।
আলো দ্বারা নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল এবং আলোক-জিনপ্রযুক্তি বা অপটোজেনেটিকস-সংক্রান্ত যুগান্তকারী আবিষ্কারের জন্য তাঁদের যৌথভাবে দেওয়া হয়েছে ২০২৬ সালের শারীরতত্ত্ব বা চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল পুরস্কার।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।