ব্রিটিশ পার্লামেন্টের সামনে ব্রেক্সিটবিরোধীদের বিক্ষোভ। জুন, ২০১৬
এক দশক আগের সেই সকালটির কথা ভাবুন। রাত ১২:২০ মিনিটে সান্ডারল্যান্ডের ফলাফলে দেখা গেল ৬১ দশমিক ৩ শতাংশ মানুষ ব্রেক্সিটের পক্ষে ভোট দিয়েছে, তবু আশার আলো ছিল...কিন্তু ভোর ৪:৪০ মিনিটে বিবিসি যখন ঘোষণা দিল যে ব্রেক্সিট জয়ী হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে পুরো দেশ যেন দুটি ভাগে বিভক্ত হয়ে গেল। যে রিমেইনারদের ব্যঙ্গ করে ‘রিমোনার’ বলা হতো, তারা আর কখনোই ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি।
ব্রিটেনের রাজনীতি এক সার্কাসে পরিণত হলো; একসময় ‘পশ্চিমা বিশ্বের স্থিতিশীল পার্লামেন্টের মা’ হিসেবে পরিচিত যুক্তরাজ্য ১০ বছরে সাতজন প্রধানমন্ত্রী বদল করল। আমাদের রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় ধাক্কায় লেবার ও কনজারভেটিভ—উভয় দলই ক্ষতবিক্ষত হলো।
এমন এক ক্ষত, যা আবার উন্মুক্ত করার সাহস কোনো দলই দেখায়নি।অবশেষে ব্রেক্সিট–সম্পর্কিত দীর্ঘদিনের নীরবতা ভেঙে ইইউতে আবার যোগ দেওয়ার লক্ষ্যে পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে টোরি (কনজারভেটিভ) দলটি তাদের আনা ব্রেক্সিট বিপর্যয়ের জন্য অনুশোচনা না করা পর্যন্ত রাজনৈতিক রাজ্য থেকে নির্বাসিত থাকবে।শেষ হলো ব্রেক্সিট আখ্যানথিঙ্কট্যাংক ‘আইপিপিআর’ চলতি সপ্তাহে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।