রিয়াদের বাড়িতে নির্মাণাধীন পাকা ভবন। নোয়াখালীর সেনবাগে
প্রথমে পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) শাম্মি আহম্মেদের বাসায় অভিযান। তাঁকে না পেয়ে পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবার সেই বাসায় গিয়ে তাঁর স্বামীকে ‘আওয়ামী লীগের দোসর’ আখ্যা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখানো হয়। এভাবে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে কথিত সমন্বয়কেরা আদায় করেন ১০ লাখ টাকা। কয়েক দিন পর বাকি ৪০ লাখ টাকা নিতে গিয়ে পুলিশের হাতে ধরা পড়েন পাঁচজন।
পরে গ্রেপ্তার হন আরও একজন।গুলশানের এই ঘটনায় করা মামলার তদন্ত শেষে ছয়জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দিয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।পিবিআইয়ের তদন্তে বলা হয়েছে, ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর আসামিরা নিজেদের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ও সক্রিয় কর্মী হিসেবে পরিচয় দিতেন।
ওই পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে তাঁরা নিয়মিতভাবে থানায় যাতায়াত করতেন ও বিভিন্ন মামলার আসামি আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট নেতা-কর্মীদের গ্রেপ্তার ও তাঁদের অবস্থান–সংক্রান্ত বিভিন্ন তথ্য প্রদানের লক্ষ্যে সহযোগিতায় পুলিশের সঙ্গে সখ্য গড়ে তোলেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।