গোলটেবিল বৈঠকে (বাঁ থেকে) উনিহ্লা মারমা, কে এস মং মারমা, মাধবী মারমা, জসীম উদ্দিন ও মরিয়ম নেছা। গতকাল বান্দরবানের একটি হোটেলে
ইইউর সহযোগিতায় একশনএইডের সুশীল প্রকল্প ও প্রথম আলোর যৌথ উদ্যোগে নাগরিক সংলাপ হয়।পাহাড়ে আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থার বিকল্প নেই। আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থা হলে দুর্গম এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষক নেই, শিক্ষার্থী নেই—এমন নানা অজুহাত দূর হয়ে যাবে। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের মাতৃভাষায় শিক্ষা দেওয়া সহজ হবে।
অনেক অভিভাবকের কাছে মাতৃভাষায় শিক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি রয়েছে, সে বিভ্রান্তি দূর হবে এবং মাতৃভাষার সঙ্গে জাতীয় ভাষার সেতুবন্ধ হলে শিক্ষার গুণগত মান বাড়বে।গতকাল মঙ্গলবার সকালে অনুষ্ঠিত ‘জাতীয় বাজেটে নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা অন্তর্ভুক্তিকরণ: বান্দরবানের পরিপ্রেক্ষিত’ শীর্ষক গোলটেবিল সংলাপে এভাবে দুর্গম এলাকায় আবাসিক শিক্ষাব্যবস্থার অগ্রাধিকারের বিষয়টি উঠে এসেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সহযোগিতায় একশনএইডের সুশীল প্রকল্প ও প্রথম আলো যৌথ উদ্যোগে এ সংলাপের আয়োজন করে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।