advertisement
advertisement

ইসলামি ব্যাংকি: শুধু কি ‘বিকল্প’ ব্যবস্থা, নাকি নৈতিক দর্শন


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ৭ নভেম্বর ২০২৬, ৬:০৭ অপরাহ্ণ
ইসলামি ব্যাংকি: শুধু কি ‘বিকল্প’ ব্যবস্থা, নাকি নৈতিক দর্শন

advertisement

বিশ্ব অর্থনীতিতে আজ একটি সুদৃঢ় ও নির্ভরযোগ্য বিকল্প অর্থব্যবস্থা হিসেবে নিজের অবস্থান তৈরি করে নিয়েছে ইসলামি ব্যাংকিং।

প্রচলিত সুদভিত্তিক ব্যবস্থার বিপরীতে অংশীদারি, ঝুঁকি ও মুনাফার ন্যায্য বণ্টন, সম্পদের উৎপাদনমুখী ব্যবহার, সামাজিক দায়বদ্ধতা এবং শরিয়তের অনুশাসনের অঙ্গীকার নিয়েই এর যাত্রা শুরু হয়েছিল।কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় একটি মৌলিক প্রশ্ন আজ বড় হয়ে দেখা দিয়েছে—ইসলামি ব্যাংকিং কি শুধু সুদবিহীন কিছু আর্থিক পণ্যের বিকল্প ব্যবস্থা, নাকি এটি একটি পূর্ণাঙ্গ নৈতিক, মানবিক ও ইনসাফভিত্তিক অর্থনৈতিক দর্শন?প্রশ্নটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ।

কারণ, ইসলামি ব্যাংকিংয়ের আসল পরিচয় শুধু মুরাবাহা, মুদারাবা, মুশারাকা কিংবা ইজারা নামের কিছু আরবি পরিভাষার চুক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকতে পারে না।এর মূল চালিকাশক্তি হলো তাকওয়া, আমানতদারি, সততা, স্বচ্ছতা, ন্যায়বিচার এবং মাকাসিদুশ শরিয়াহর (শরিয়তের মূল উদ্দেশ্য) বাস্তব প্রতিফলন।ব্যাংকগুলোর প্রাত্যহিক কার্যক্রমে এসব নৈতিক মূল্যবোধ দৃশ্যমান না হলে প্রতিষ্ঠানগুলো বাহ্যিকভাবে ইসলামি কাঠামো ধরে রাখলেও তাদের সঙ্গে প্রচলিত ব্যাংকিংয়ের মৌলিক ফারাক ক্রমেই মুছে যায়।এতে কেবল গ্রাহকের আস্থাই নষ্ট হয় না; বরং ইসলামি অর্থনীতির সামগ্রিক দর্শনই প্রশ্নের মুখে পড়ে।ব্যাংকের বিনিয়োগনীতি এমন হওয়া প্রয়োজন, যাতে সমাজে অর্থনৈতিক বৈষম্য কমে, উৎপাদনমুখী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়, ক্ষুদ্র উদ্যোক...

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর