জামায়াতে ইসলামীর সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক তাঁর এই বইয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেছেন
একাত্তরে ভূমিকার জন্য জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার খসড়া তৈরি হয়েছিল। দলের জ্যেষ্ঠ নেতারা দফায় দফায় বৈঠকও করেছিলেন। কিন্তু কখনো নেতৃত্বের মত পরিবর্তন, কখনো দলীয় কমিটির বিরোধিতা, আবার কখনো প্রভাবশালী ব্যক্তিদের হস্তক্ষেপে উদ্যোগ থেমে যায়।জামায়াতে ইসলামীর ভেতরে ক্ষমা চাওয়ার উদ্যোগগুলোর এমন বিবরণ তুলে ধরেছেন দলটির সাবেক সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ব্যারিস্টার আবদুর রাজ্জাক।
তাঁর ‘বাংলাদেশ জামায়াত-ই-ইসলামী: ইটস হিস্ট্রি অ্যান্ড পলিটিকস’ বইয়ের ‘রিফর্ম অ্যাজেন্ডা উইদইন জামায়াত’ অধ্যায়ে এসব ঘটনার বর্ণনা রয়েছে। বইটি গত মাসে প্রকাশ করেছে ইউপিএল।সেখানে তিনি লিখেছেন, ২০১৯ সালে একপর্যায়ে জামায়াতের নির্বাহী কমিটি একাত্তরের বিষয়টি মোকাবিলা, দল বিলুপ্ত করা ও নতুন দল গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। পরে সেই সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসে।
এর পরপরই তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।ব্যারিস্টার রাজ্জাক বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের প্রধান কৌঁসুলি হিসেবেও কাজ করেছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।