জাহ্নবী চৌধুরানীর করা টিবি ক্লিনিক
টাঙ্গাইলের সন্তোষ শুধু জমিদারবাড়ির স্মৃতি নয়; শিক্ষা, চিকিৎসা, জনকল্যাণ ও রাজনীতির নানা অধ্যায় জড়িয়ে আছে এই মাটিতে, যার কেন্দ্রে ছিলেন এক দূরদর্শী নারী, জাহ্নবী চৌধুরাণী। বৃষ্টিস্নাত মধ্যদুপুর। আকাশজুড়ে মেঘ, বাতাসে ভেজা মাটির গন্ধ। টাঙ্গাইল শহরের কোলাহল পেরিয়ে সন্তোষে ঢুকতেই যেন বদলে গেল চারপাশ।
শহর খুব দূরে নয়, অথচ এখানে এসে মনে হলো, সময়টা একটু ধীর হয়ে গেছে।রাস্তার পাশে সবুজ, পুরোনো গাছের ছায়া, কোথাও ভেজা পুকুরের জল, কোথাও আবার বয়সের ভারে নুয়ে পড়া স্থাপনা। হাঁটতে হাঁটতে মনে হলো, সন্তোষকে শুধু একটি জায়গা হিসেবে দেখলে ভুল হবে; এই মাটিতে, পুরোনো দেয়ালের গায়ে আর পুকুরের জলে জমে আছে টাঙ্গাইলের বহু বছরের ইতিহাস। ব্রিটিশ শাসনের আগে এটি ‘খোশনদপুর’ নামে পরিচিত ছিল টাঙ্গাইলের এই স্থান।
সন্তোষেই একসময় জমিদারবাড়ির আঙিনায় শিক্ষার আলো জ্বালানোর স্বপ্ন দেখেছিলেন একজন নারী, তিনি বিদ্যোৎসাহী শ্রীমতী জাহ্নবী চৌধুরাণী।মাত্র ৯ বছর বয়সে জাহ্নবী চৌধুরাণীর বিয়ে হয়েছিল আর ১৩ বছর বয়সে বিধবা হন তিনি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।