নুডলস এখন প্রতিদিনের খাবারের তালিকায় স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছে
নাশতার চটপটে সমাধান নুডলস। তোমরা অনেকেই রাতে পড়ার ফাঁকে একটু নুডলস বানিয়ে খাও। খেতে বসে কখনো কি মনে হয়েছে, এ খাবারটা প্রথম কে বানিয়েছিল? হয়তো মনে হয়েছে, এটা এসেছে চায়না থেকে। এর বেশি কিছু নয়। চায়না থেকে এলেও নুডলস নিয়ে আছে চমৎকার সব গল্প। চায়নার কোনো রাজকীয় রাঁধুনি এটি আবিষ্কার করেনি। কোনো বিখ্যাত শেফের হাত ধরেও আসেনি। ছোটদের জন্য নুডলস নিয়ে লেখা এক বইয়ে বলা হয়েছে, তিন দুষ্টু শিশু বানিয়েছিল নুডলস।
সেটা অবশ্য চায়নিজ উপন্যাসের কথা। মজার ব্যাপার হলো, নুডলসের ইতিহাসে রাজকীয় রাঁধুনি, শেফ আর দুষ্টু শিশুদের কথা এসেছে বারবার। কোথাও আছে কিংবদন্তি, কোথাও গল্প, আবার কোথাও আছে প্রত্নতত্ত্বের প্রমাণ।শিশুতোষ বইয়ের গল্পটাই আগে বলি। বইটির নাম দ্য স্টোরি অব নুডলস। সেখানে তিন খুদে ভাই রান্নাঘরে দুষ্টুমি করতে গিয়ে এমন এক কাণ্ড ঘটায়, যেখান থেকে নাকি জন্ম নেয় নুডলস! অবশ্য এটা নিছক কল্পকাহিনি।
কিন্তু গল্পটা এত মজার, পড়তে পড়তে মনে হয়, এমনটা তো হতেও পারে!বাস্তব ইতিহাস অবশ্য অন্য কথা বলে।আজ থেকে প্রায় চার হাজার বছর আগে চীনে নুডলসের প্রচলন হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।