উড়োজাহাজটা যখন সমুদ্রের ওপর দিয়ে এক টুকরো মাটির সন্ধান পেতে দ্রুতবেগে মেঘের বুক চিরে ছুটে চলেছে, ঠিক তখনই কাচঘেরা ছোট্ট জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখি সূর্য পশ্চিম দিকে প্রায় ঢলে পড়ছে, যেন মিষ্টি সুরে অভিবাদন জানাচ্ছে বিমানে থাকা প্রতিটি যাত্রীকে, ‘স্বাগতম তোমাদের, সমুদ্রতীরের এই নগরী ওসাকাতে।’ অনেক দিন থেকেই প্ল্যান করছিলাম জাপান থেকে ঘুরে আসব, আর সে ভাবনা থেকেই একদিন হুট করেই টিকিট কেটে উঠে পড়লাম ওসাকাগামী এই হাওয়াই জাহাজে।
ঠিক বেলা ৩টার কিছু সময় পরেই ল্যান্ড করল আমাদের বিমান। হাতের ব্যাগপত্র নিয়ে অন্যান্য যাত্রীদের মতো আমিও গিয়ে দাঁড়ালাম জাপানের ইমিগ্রেশনে।
কিন্তু বিধিবাম, সবুজ এই পাসপোর্ট দেখলেই আলাদা করে আপ্যায়ন করতে পাশের ঘরে নিয়ে গিয়ে অনেক প্রশ্ন করবে, এটা অনুমান যদিও করেছিলাম, তবুও মনে ক্ষীণ আশা ছিল, হয়তো অন্যান্য দেশের মানুষের মতো আমিও বের হয়ে যেতে পারব, কিন্তু না, যে ভাবনা তাই সত্য হলো, সেখানে নিয়ে যাওয়ার পরে সব প্রশ্ন শেষে প্রায় ২ ঘণ্টা পরে ছাড়া পেলাম।সেখান থেকে বের হয়েই প্রথমে আমেরিকার ডলার ভাঙিয়ে জাপানের ইয়েন নিয়ে নিলাম সঙ্গে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।