এসি আসলে কী করে, যাতে আমাদের আরাম লাগে?
রাত সাড়ে দশটা। ঘরের তাপমাত্রা তখনও ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। রিমোটের সবুজ বোতাম টিপতেই কম্প্রেসারের গুনগুন শব্দ, তারপর ঠান্ডা বাতাসের প্রথম ঝাপটা। এই স্বস্তির পেছনে যে যন্ত্রটা একটানা খাটছে, সেটা ঠিক কতটা বিদ্যুৎ খরচ করছে, সেই হিসাব বেশির ভাগ মানুষই কখনো করে দেখেন না। মাস শেষে বিলের কাগজ হাতে পেয়ে চমকে যাওয়াটাই তখন নিয়ম হয়ে দাঁড়ায়।
কিন্তু এসি আসলে কী করে, যাতে আমাদের আরাম লাগে?এসি কিন্তু সরাসরি ঘরের বাতাস ঠান্ডা করে না, বরং ঘরের ভেতরের গরম বাতাস টেনে নিয়ে বাইরে ফেলে দেয়। এর ভেতরে থাকা রেফ্রিজারেন্ট গ্যাস তরল হয়ে কয়েলের মধ্য দিয়ে ঘোরে এবং তাপ শুষে নেয়। এরপর কম্প্রেসার সেই গ্যাসকে চাপ দিয়ে বাইরের ইউনিটে পাঠায়, যেখানে তাপটা বাতাসে ছেড়ে দেওয়া হয়। বিদ্যুৎ খরচের আসল জায়গাটাই হলো এই কম্প্রেসার।
কারণ, গ্যাসকে চাপ দিয়ে সংকুচিত করার কাজেই সবচেয়ে বেশি শক্তির প্রয়োজন হয়।এসি কীভাবে ঘরকে ঠান্ডা রাখেএসি সরাসরি ঘরের বাতাস ঠান্ডা করে না, বরং ঘরের ভেতরের গরম বাতাস টেনে নিয়ে বাইরে ফেলে দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।