ডাক দিতেই কবুতরগুলো স্বপ্না রানী সরকারের কাছে এসে জড়ো হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজার সদর উপজেলার কাগাবলা ইউনিয়নের বীরগাঁও গ্রামে
ডাক দিতেই একটি মুরগি এল ছানাদের সঙ্গে নিয়ে। দূর থেকে ডানা মেলে উড়াল দিল একটি মোরগ। উঠানের নানা কোণে ছড়িয়ে থাকা কবুতরও সাড়া দিয়ে জড়ো হলো বারান্দায়। এদের যিনি ডাকলেন, তিনি স্বপ্না রানী সরকার (৪০)। ছোট ছোট উদ্যোগে গড়া নিজের সংসারটি ঘুরে ঘুরে দেখাচ্ছিলেন তিনি।মৌলভীবাজার সদর উপজেলার বীরগাঁও গ্রামে স্বপ্নার বাড়ি। বুধবার দুপুরে গিয়ে বাড়ি খুঁজতে বেগ পেতে হয়নি। গ্রামের পাকা সড়কের পাশেই টিনশেডের আধাপাকা ঘর।
স্বপ্নার স্বামীর চার ভাইয়ের ঘর পাশাপাশি। উঠানের একপাশে পুকুরপাড়ে একচালার নিচে বাঁধা চারটি গরু ঘাস চিবাচ্ছে।গরুকে ঘাস খেতে দিচ্ছেন স্বপ্না। বুধবার বিকেলে মৌলভীবাজারের বীরগাঁও গ্রামেহাতখরচের তাগিদে প্রথম উদ্যোগপ্রায় ২০ বছর আগে এসএসসিতে অকৃতকার্য হওয়ার পরই স্বপ্নার বিয়ে হয়। বাবার বাড়ি শ্রীমঙ্গলের ভৈরবগঞ্জে। স্বামী অবোধ সরকার কৃষিজীবী।
নিজেদের ৩০ শতাংশ জমির পাশাপাশি অন্যের জমি বর্গা চাষ করেন।সংসারে এসে স্বপ্না রানী সরকার বুঝলেন, স্বামীর আয়ে ঠিকমতো সংসারই চলে না, হাতখরচ তো দূরের কথা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।