সামরিক ব্যয়ের দিক থেকে সৌদি আরব এখন অষ্টম দেশ
সৌদি আরব একটি দীর্ঘ যুদ্ধ চালিয়ে যাওয়ার সামর্থ্য রাখে। যুদ্ধবিমান, ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন, আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ও গোয়েন্দা সহায়তা কেনার সক্ষমতা তাদের আছে। যুদ্ধে বড় ক্ষয়ক্ষতি হলে সেটাও তারা সামাল দিতে পারে। কিন্তু এার মানে এই নয় যে সৌদি আরব হুতিদের পরাজিত করতে পারবে।খবরে বলা হচ্ছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান গত সপ্তাহে দুবার ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ফোন করেন। তিনি হুতিদের ওপর সরাসরি হামলা চালাতে ওয়াশিংটনকে অনুরোধ করেন।
ট্রাম্প তাতে রাজি হননি। তবে যুক্তরাষ্ট্র গোয়েন্দা তথ্য ও হামলার লক্ষ্য নির্ধারণে সহায়তা দিতে সম্মত হয়েছে।এটা তাৎপর্যপূর্ণ খবর। এটি সৌদি আরবের সামরিক শক্তির ঘাটতির বিষয়টাকে সামনে আনছে না; বরং রিয়াদ সম্ভবত বুঝতে পারছে, হুতিদের নিয়ে যে সংকট তৈরি হয়েছে, সেটা শুধু সামরিক শক্তি দিয়ে সমাধান করা সম্ভব নয়।এ ক্ষেত্রে সময়টিও গুরুত্বপূর্ণ। ইয়েমেনের লোহিত সাগর উপকূলের মোখা দখল করেছে হুতিরা।
একই সঙ্গে তারা বাব আল-মানদেব প্রণালির প্রবেশমুখে কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি দ্বীপের দিকে অগ্রসর হয়েছে।অন্যদিকে ইরান-সমর্থিত বাহিনীগুলোর হামলায় সৌদি আরবের ইস্ট-ওয়েস্ট পাইপলাইনে তেল সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।