মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট ও উচ্চ সুদহারের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতির শঙ্কার মধ্যেই থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে শুরু হয়েছে বিশ্বব্যাংক ও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বার্ষিক সম্মেলন। ১২ থেকে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত চলা এই বৈঠকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের অর্থমন্ত্রী ও নীতিনির্ধারকেরা মূল্যস্ফীতি, ঋণের বোঝা ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর আর্থিক সংকট নিয়ে আলোচনা করছেন। এতে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে বাংলাদেশের একটি প্রতিনিধিদলও অংশ নিয়েছে।
সম্মেলনে বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্ট অজয় বাঙ্গা জানান, হরমুজ প্রণালি বন্ধ হওয়া ও নানা ধাক্কা বিশ্ব অর্থনীতি সামাল দিতে পারলেও ডিজেল ও সারের মূল্যবৃদ্ধি এবং এল নিনোর মতো জলবায়ু ঝুঁকি নতুন চাপ তৈরি করছে। এদিকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের চাপে জি-৭ জোট জরুরি মজুত থেকে ১০ কোটি ব্যারেল জ্বালানি বাজারে ছাড়তে রাজি হয়েছে। পাশাপাশি ট্রাম্প রাশিয়া থেকে ডিজেল সরবরাহ বৃদ্ধির কথা বললেও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এর কড়া সমালোচনা করেছেন।
আইএমএফের হিসাবে, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর বিশ্বে সরকারি ঋণ এখন সর্বোচ্চ পর্যায়ে এবং ২০৩০ সালের আগেই তা বৈশ্বিক জিডিপির শতভাগ ছাড়িয়ে যেতে পারে। সংস্থাটির পূর্বাভাস অনুযায়ী ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৩ শতাংশ, তবে যুদ্ধকবলিত অঞ্চলে তা আরও কমার আশঙ্কা রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও রপ্তানি চাহিদা হ্রাস পেলে বাংলাদেশের রিজার্ভ এবং তৈরি পোশাক খাতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার ঝুঁকি রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।