অলংকরণ: এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো
মুদ্রণমন্ত্র পৃথিবীর মানুষেরা ভালোবাসাবাসি শেষে ঢুকে পড়ে; মূলত উৎপাদনমুখী বিশ্বের অভিমুখে যেমন ধরো, পানের বরজ অথবা ভাঁট-ধুন্দুল হতে পারে তার বা তাহাদের চোখসমুদ্রের মাঝে খুঁজে ফেরে হারানো বহুপত্রী পুষ্পবিতান।রংবিহারেফুটেছে ফুল এই শরতে ঘাসজলজে; পাটগন্ধের মিশেলেবসেছে পাখিসভা মিঠেপড়া রোদে জলের মোকাম তাড়িয়ে তাড়িয়েদৃশ্য কত আকাশের ক্রাডলে ইতিউতি ভাসে মেঘমিথ ছড়ানো রঙে পুষ্পরেণু ওড়েহিজলদিগা ধানে জলরঙের বিবিধ আশ্রয়ে।দৃশ্যাদৃশ্যফুটেছে ফুল বহুকাল হলোধরো অথবা স্পর্শে বায়ুউড়াইয়া দাও অথবা নজরানা নিয়াউপস্থিত করো পরাবাস্তব পাখিঅতিক্রান্ত চাপ; আকাশ ভরা প্রস্তাবেগান হয়ে উড়ে এল আমাদেরএকমাত্র বেদনাতুতো ভাই—নিরীহ চাঁদতার চারদিকে মৌন পাখিদলএর মধ্যেই মাঘনিশীথের আরশিতেফিক করে হেসে উঠল সাবালিকা—নিশ্চল তার স্বপ্নগ্রস্ত চোখ বরাবর;নেশাগ্রস্ত পাল দিগ্বিদিক ছুটে যায়ততবার শাসিত হই জলতরঙ্গে।অবিকারচন্দ্রিমা উদ্যান থেকে কুড়িলের আয়তনমেপে বিপরীতে দাঁড়িয়ে গেলএকটি বাহারি ফুল, আবরণে হলুদঅবসন্ন পথ, উড়ছে লিকারের ধোঁয়াকী ভেবে এই সন্ধ্যেবেলাজানানো হলো, তার গাছভর্তি অমুদ্রিত কথাগুলোফেলছে দীর্ঘশ্বাসের হাওয়া—প্রত্যাশার ভেতর পারদ,পত্রের ভেতর থেকে পুষ্পউঁকি মারল আবারও।দৌড় শেষেমাঠের দৈর্ঘ্য-প্রস্থ জানা হয়ে গেলেআলোয় ভাসা মুহূর্ত আর ঢিলছোড়া অন্ধকার বরাবর...বারবারই মূর্ত হয়ে দাঁড়িয়েছেদেয়ালঘড়ির কাঙ্ক্ষিত কাঁটা;ফাইলবন্দী যত গোলাপবিল...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।