advertisement
advertisement

অ্যান কারসনের একগুচ্ছ কবিতা: পেরেকগুলো যন্ত্রণায় কাতর


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০০ পূর্বাহ্ণ
অ্যান কারসনের একগুচ্ছ কবিতা: পেরেকগুলো যন্ত্রণায় কাতর

এস এম রাকিবুর রহমান। গ্রাফিকস: প্রথম আলো

advertisement

অ্যান কারসন একাধারে কবি, প্রাবন্ধিক, ধ্রুপদি সাহিত্যের অধ্যাপক ও অনুবাদক। তাঁর কবিতায় ঐতিহ্য ও আধুনিকতা হাত-ধরাধরি করে চলে। বহুস্তর অর্থবাচক তাঁর কবিতা কোনো নির্দিষ্ট অর্থে স্থির থাকে না। কেননা, তিনি তাঁর কবিতার শব্দকে প্রচল অর্থের খাঁচা থেকে বের করে আনেন অবলীলায়। সে জন্য বেছে নেন অলংকারহীন এক নির্ভার-নিরাভরণ ভাষা ও রূপক। প্রায়ই ঘুচিয়ে দেন কবিতা ও গদ্যের ভেদরেখা; কবিতাকে ঠেলে দেন এক ব্যাখ্যাহীন অনিশ্চয়তার দিকে।

তাঁর কবিতাকে বলা হয়, ‘সহজতম ভাষায় লেখা দুরূহতম কবিতা’। বিপুল পাঠকনন্দিত এই কবি বহু পুরস্কার ও সম্মাননায় ভূষিত; অথচ নিজেকে নিয়ে তাঁর রয়েছে ‘বৈষ্ণব-বিনয়’। নিজেকে লেখক বলে দাবি করতেও কুণ্ঠা তাঁর, ‘এখনো নিজেকে লেখক বলতে পারব কি না জানি না।

শুধু জানি, আমাকে কিছু একটা তৈরি করতেই হয়।’ অ্যান কারসনের এ কবিতাগুলো অনুবাদ করেছেন জুয়েল মাজহার...ভালোবাসার সুখানুভূতি নিয়ে সামান্য আলাপঘুম থেকে জেগেই আমি তোমার কথা ভাবি, দিনের পর দিন;বাতাসে রত্নের মতন কে যেন গুঁজে দিয়ে গেছে পাখির ডাক।মৃত্যুহাত দুটোকে বুকের ওপর আড়াআড়ি রেখে ঘুমাতে যাইআমার হাত দুটোকে ঠিক এভাবেই সাজিয়ে রাখবে ওরা;দেখে মনে হবে, উড়ে যাচ্ছি নিজের ভেতরেকানাডীয় কবি, প্রাবন্ধিক ও ধ্রুপদি সাহিত্যের পণ্ডিত অ্যান কারসনশুকনো-ডাল-ভেঙে-পড়া শব্দের শহরওদের মুখগুলোকে আমার মনে হতো ছুরি;ওগুলো দিয়ে এভাবেই ওরা আমাকে নিশানা বানিয়েঅপেক্ষা করত।শিকারি...

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর