শক্তিশালী সার্ভারগুলোকে ঠান্ডা রাখতে হরদম খরচ হয়ে চলেছে বিপুল পানি!
কাজের ফাঁকে গুগলে কিছু একটা লিখে সার্চ দেওয়ার পর পর্দার আড়ালে ঠিক কী ঘটছে, তা নিয়ে আমরা খুব একটা ভাবি না। চট করে আঙুল দিয়ে কি-বোর্ডে টিপ দিই, চোখের সামনে ফলাফল চলে আসে। আমরাও চলে যাই পরের প্রশ্নে। অথচ আমাদের প্রতিটি সার্চের পেছনে কাজ করে চলেছে হাজার মাইল দূরের কোনো এক বিশাল হলঘর। সেখানে সারি সারি সার্ভার অবিরাম চলে যাচ্ছে। আর সেই শক্তিশালী সার্ভারগুলোকে ঠান্ডা রাখতে হরদম খরচ হয়ে চলেছে বিপুল পানি!
কিন্তু প্রশ্ন হলো, কত পানি? এর উত্তরটা যতটা সহজ মনে হয়, মোটেও ততটা সহজ নয়।একেকটি সার্ভার মূলত অত্যন্ত শক্তিশালী কম্পিউটার, যেগুলো চব্বিশ ঘণ্টা চালু থেকে প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষের অনুরোধ বা কুয়েরি প্রক্রিয়াজাত করে। এই নিরন্তর কাজ করতে গিয়ে প্রসেসরে প্রচণ্ড তাপ জমে, ঠিক যেমন দীর্ঘক্ষণ চলতে থাকা গাড়ির ইঞ্জিন গরম হয়ে ওঠে। সেই তাপ সময়মতো সরিয়ে না নিলে ভেতরের অতিসংবেদনশীল যন্ত্রপাতি নিমেষেই বিকল হয়ে যাবে।
তাই ডেটা সেন্টারগুলোতে বসানো হয় বিশাল বিশাল কুলিং টাওয়ার।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।