কিশোরগঞ্জের আবু হানিফ এখনো যুদ্ধক্ষেত্রে আছেন
পরিবারের ভাগ্য ফেরাতে উন্নত চাকরির আশায় রাশিয়ায় যান লালমনিরহাটের আবদুল্লাহ আল মামুন। সেই স্বপ্ন পূরণ হয়নি। দেশটিতে গিয়ে তাঁর ঠাঁই হয় যুদ্ধের ক্যাম্পে। প্রশিক্ষণ শেষে যুদ্ধে পাঠানোর আগের দিন দেশে থাকা ছোট ভাই মো. রনিকে ফোন করে মামুন বলেন, ‘যুদ্ধে পাঠিয়ে দিচ্ছে, আর দেখা না-ও হতে পারে। দুনিয়ায় দেখা না হলে দেখা হবে হাশরের মাঠে।’প্রথম আলোকে কথাগুলো বলছিলেন মামুনের বাবা আবদুল মজিদ।
তিনি বলেন, যুদ্ধে নেওয়ার পর থেকে তাঁর সঙ্গে আর যোগাযোগ হয়নি। পরে তাঁর সঙ্গে রাশিয়ায় যাওয়া আল আমিনকে আবার ফোন করেন রনি। আল আমিন জানান, মামুন মারা গেছেন। এরপর গ্রামে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়। কিন্তু মৃত্যু নিশ্চিত না হওয়ায় লোকজন এসে জানাজা না পড়ে মোনাজাত করেন। এরই মধ্যে পাঁচ মাস পার হয়ে গেছে। ঋণগ্রস্ত পরিবার এখন অসহায় হয়ে পড়েছে।
এক বছরের একটি ছেলেশিশুকে নিয়ে মামুনের স্ত্রীর সামনে শুধুই অন্ধকার।ভালো বেতনে চাকরির আশায় গত ৭ মে ঢাকা থেকে মামুনসহ ৩০ জন বাংলাদেশি যান রাশিয়ায়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।