শ্লোগান দিচ্ছেন এক ইরানি নারী
যুদ্ধ শুরুর পর থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে বেশ কয়েকটি কূটনৈতিক আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে কেবল গত ১৮ জুন ইসলামাবাদে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারক চূড়ান্ত রূপ পেয়েছিল, তবে সেটিও মাত্র কয়েক দিনের মাথায় ভেঙে পড়ে।আমার মতে, এ দুই পক্ষের কূটনৈতিক অচলাবস্থা দীর্ঘদিনের একটি ‘সিন্ড্রোম’ দ্বারা চালিত, যা বহু বছর ধরে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সম্পর্ককে নিয়ন্ত্রণ করে আসছে।আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে গভীর সংকট থেকে মনস্তাত্ত্বিক জটিলতার জন্ম হতে পারে, যা একটি দেশের রাজনৈতিক চেতনা ও স্মৃতিতে দীর্ঘস্থায়ী ছাপ ফেলে।
ফলে তা দেশগুলোর মধ্যে সমঝোতা ও আলোচনার চেষ্টাকে বারবার বাধাগ্রস্ত করে।ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এ সিন্ড্রোম দুটি মূল ‘কমপ্লেক্স’ নিয়ে গঠিত—প্রথমটি হলো ১৯৭৯ সালে তেহরানে মার্কিন দূতাবাস ঘেরাওয়ের ঘটনা থেকে ওয়াশিংটনে তৈরি হওয়া কমপ্লেক্স; আর দ্বিতীয়টি হলো আমেরিকার ঐতিহাসিক শত্রুতা এবং ২০১৮ সালে পরমাণু চুক্তি থেকে ওয়াশিংটনের বেরিয়ে যাওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে তেহরানে তৈরি হওয়া কমপ্লেক্স।ইরান ও ইউক্রেন যেভাবে সমুদ্রপথে প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করছেইরান যুদ্ধে যেভাবে নিজের পাতা ফাঁদে পড়লেন ট্রাম্পদুই দেশের সম্পর্কের চরম অবনতির শিকড় জড়িয়ে আছে ১৯৫১ সালে ইরানের তেলশিল্প জাতীয়করণের পর ১৯৫৩ সালের আগস্টে মার্কিন ও ব্রিটিশ গোয়েন্দা সংস্থার যৌথ চক্রান্তে মোহাম্মদ মোসাদ্দেকের জাতীয়তাবাদ...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।