মঙ্গলবার নাটোরের বনপাড়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রের সামনে নাটোর-পাবনা মহাসড়কে ট্রাকের সঙ্গে বাসের সংঘর্ষ হয়। নিহত হয়েছে ১২ জন
চট্টগ্রামের বোয়ালখালীর জাহিদুল আলম ওমানে ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টে ছুটিতে দেশে আসেন তিনি। ৪ সেপ্টেম্বর মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় তাঁর হাত–পা ভেঙে যায়। মুখের চোয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হয়, দাঁত ভাঙে তিনটি। মাথায়ও গুরুতর আঘাত পান। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, এরপর চট্টগ্রাম এভারকেয়ার হাসপাতালে দীর্ঘ চিকিৎসা নেন। জীবন বাঁচানো সম্ভব হলেও পঙ্গুত্ব এড়াতে পারেননি তিনি।২৮ বছর বয়সী জাহিদুল এখন ভারতের বেঙ্গালুরুতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
গত মঙ্গলবার বেঙ্গালুরু থেকে ফোনে তিনি প্রথম আলোকে বলেন, জীবনের যত সঞ্চয় ছিল, সব শেষ। এরই মধ্যে চিকিৎসার পেছনে ৬৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। করতে হয়েছে ধারদেনা। বিদেশে আর যাওয়া হয়নি, হবেও না মনে হয়। তিনি জানালেন, তাঁর পায়ে আটবার অস্ত্রোপচার করা হয়েছে। এর মধ্যে পচনও ধরেছে কয়েকবার। জাহিদুলের মতো সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের বেশির ভাগেরই দুর্বিষহ জীবন পার করতে হচ্ছে। আহতদের বড় অংশই তরুণ, যুবক ও কর্মক্ষম ব্যক্তি।
এর প্রভাব পরিবারেও পড়ছে।সড়ক দুর্ঘটনার আরেকজন ভুক্তভোগী নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জের মো. সজীব।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।