প্যারিসের প্লেস দে লা রিপাবলিকে সংঘর্ষের সময় ফরাসি দাঙ্গা পুলিশের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে থাকা এক বিক্ষোভকারী।
ফ্রান্সের চলমান বিশৃঙ্খলা থেকে এ পর্যন্ত কেবল একজনই পরিষ্কার বিজয়ী হয়েছেন—মারিন লো পেন। একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাত্র ছয় মাস আগে দেশজুড়ে শহর ও নগরগুলোকে গ্রাস করা এই সহিংসতা ও দাঙ্গা কট্টর ডানপন্থী, ইউরো-সন্দেহবাদী এবং অভিবাসনবিরোধী এই প্রার্থীর জন্য এক পরম আশীর্বাদ হিসেবে এসেছে।
যখন ভবনগুলোয় আগুন জ্বলছিল, দোকানপাট লুট হচ্ছিল এবং পুলিশের ওপর হামলা চলছিল, তখন এই দাঙ্গার চিৎকারের নিচে চাপা পড়ে গিয়েছিল জরাজীর্ণ স্কুল, জ্বালানির দাম এবং জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রতিবাদে সাধারণ মানুষের গড়ে তোলা শান্তিপূর্ণ গণ–আন্দোলন।ফ্রান্স ও ইউরোপের বাকি অংশজুড়ে মানুষ শহরগুলোর কেন্দ্রস্থলে অগ্নিকাণ্ড ও ভাঙচুরের দৃশ্য দেখে স্তব্ধ হয়ে গেছে।
শান্ত মফস্সল শহর লিমোজেসের ১৯ শতকের টাউন হল এবং মার্সেইয়ের সিটি হলে থাকা ‘মারিয়ান’-এর আবক্ষ মূর্তি ধ্বংসের মতো ফরাসি প্রজাতন্ত্রের প্রতীকগুলোর ক্ষতিসাধন এবং দুই হাজারের বেশি দোকানে লুটপাট মানুষকে আতঙ্কিত করেছে।ফ্রান্স কেন আন্দোলনকারীদের ওপর এত সহিংস হয়ে উঠছেইউরোপ কেন যুদ্ধের জন্য তৈরি হচ্ছেযদিও ফ্রান্সের একটি দীর্ঘ বিপ্লবী ঐতিহ্য রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।