ওয়াশিংটনে ডোনাল্ড ট্রাম্প ও সি চিন পিংয়ের বৈঠকে এআই নিয়ে আলোচনা হতে পারে
প্রায় দুই বছর আগে শিক্ষা উদ্যোক্তা বরিস বুটের মনে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়ে যায়। তিনি বুঝতে পারেন, চীনের অসংখ্য প্রতিষ্ঠানের মতো তাঁর প্রতিষ্ঠানকেও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে একসময় এআইয়ের কারণেই তাঁর ব্যবসা অচল হয়ে যেতে পারে। বিদেশে সন্তানদের পড়াতে আগ্রহী সচ্ছল অভিভাবকেরা তাঁর অফিসে এসে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রতিষ্ঠানের তথ্য নয়, চ্যাটবট থেকে পাওয়া তথ্য ও মতামত তুলে ধরছিলেন।
বুট তাই নিজেই একটি এআইভিত্তিক শিক্ষাসহায়ক ব্যবস্থা তৈরির উদ্যোগ নেন। তাঁর উপলব্ধি ছিল, এআইকে হারাতে না পারলে তার সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।এআই উন্নয়নের গতি ও মানের দিক থেকে যুক্তরাষ্ট্রের পরেই চীন। নতুন মডেলের সক্ষমতা বাড়ার সঙ্গে দুই দেশের প্রতিযোগিতাও তীব্র হচ্ছে। বিশ্লেষকদের মতে, সবচেয়ে উন্নত এআই মডেলে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কিছুটা এগিয়ে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সিলিকন ভ্যালিতে উদ্বেগ বেড়েছে।
প্রযুক্তি খাতের অনেকেই সতর্ক করছেন, সবচেয়ে উন্নত এআইয়ের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারালে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটতে পারে।এআই ইস্যুতে কেন বিশ্বনেতাদের এক হতে হবেঅ্যানথ্রপিকের প্রধান নির্বাহী দারিও আমোদেই সম্প্রতি এআইয়ের সামনের সারির উন্নয়নের গতি বিশ্বজুড়ে সমন্বয় করার প্রস্তাব দিয়েছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।