বর্তমান সমাজে মা-বাবাদের মধ্যে প্রধানত তিনটি ধারার অভিভাবকত্ব দেখা যায়। এক শ্রেণির মা-বাবা পরিবারকে কোনো সেনা ব্যারাকের মতো কঠোর মনে করেন। তাঁদের নির্দেশই সেখানে শেষ কথা; সন্তানের আবেগ বা মতামতের কোনো সুযোগ থাকে না। এমন পরিবেশে বেড়ে ওঠা সন্তানরা ভেতর থেকে হীনম্মন্যতায় ভোগে।ঠিক এর বিপরীত মেরুতে আছেন আরেক দল অভিভাবক, যাঁরা সন্তানের কোনো ইচ্ছাতেই ‘না’ বলতে পারেন না।
অতিরিক্ত প্রশ্রয় পেয়ে বেড়ে ওঠা এসব সন্তান জীবনের বাস্তব চাপ ও প্রতিকূলতা সহ্য করতে পারে না।এই দুই প্রান্তিকতার বাইরে রয়েছেন সচেতন অভিভাবকেরা। তাঁরা ভালো করেই জানেন যে শাসন ছাড়া সন্তানের নীতিবোধ তৈরি হয় না, আবার ভালোবাসাহীন শাসন শিশুর আত্মাকে ভেঙে দেয়।
তাঁরা নিয়ম তৈরি করেন স্নেহের ভাষায়, ভুলত্রুটি ক্ষমা করেন পরম মমতায়, কিন্তু নৈতিকতার প্রশ্নে থাকেন অবিচল।সচেতন অভিভাবকেরা শাসন ছাড়া সন্তানের নীতিবোধ তৈরি হয় না, আবার ভালোবাসাহীন শাসন শিশুর আত্মাকে ভেঙে দেয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।