অভিযুক্ত রিপন টুডুকে গ্রেপ্তার ও নিহত শিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ
বিয়ের আশ্বাসে মোছা. জিন্নাতুনকে তাঁর চার বছরের মেয়ে রাকিবা আক্তারসহ নিজ বাড়িতে নিয়ে যান রিপন টুডু (৪৫)। বিয়ে না করেই স্বামী-স্ত্রীর মতো বসবাস করছিলেন তাঁরা। অভিযোগ, বিয়ের জন্য চাপ দিলে জিন্নাতুন ও তাঁর মেয়েকে প্রায়ই মারধর করতেন রিপন। একদিন শিশুটিকে জানালার সঙ্গে বেঁধে মারধর করা হয়। এতে শিশুটির মৃত্যু হলে মরদেহ বাড়ির পাশের একটি বাগানে মাটিচাপা দেওয়া হয়। দিনাজপুর সদর উপজেলার জামতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রায় সাড়ে তিন মাস আগের ওই ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটন করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোররাতে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। আজ বেলা দুইটায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে এ বিষয়ে জানানো হয়। এ ঘটনায় রিপন টুডু ও জিন্নাতুনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ ছাড়া লাশ গুমে সহায়তা করায় রিপনের ভাগনে সুজন টুডুকেও (২০) গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
রাকিবার মায়ের করা লিখিত অভিযোগ মামলা হিসেবে নিয়ে তাঁদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।জিন্নাতুনের বাড়ি সদর উপজেলার খোসালপুর গ্রামে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।