ফ্ল্যাট
রাজধানীর বছিলায় ফ্ল্যাটের বুকিং দিয়েছেন চাকরিজীবী এ কে এম আজহার। খুব মোটা বেতনের চাকরি করেন না তিনি। সংসারে তিনিই একমাত্র উপার্জনশীল। স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে তাঁর পরিবার। ফ্ল্যাট কেনার জন্য একটি বেসরকারি ব্যাংক থেকে ৫ বছরের মেয়াদে ২০ লাখ টাকা ঋণ নিয়েছেন আজহার। এখনো নিজের ফ্ল্যাটে উঠতে পারেননি। কিন্তু প্রতি মাসে ৪৫ হাজার ২৫০ টাকা করে ঋণের কিস্তি দিতে হচ্ছে। ঋণের মেয়াদ কম হওয়ায় কিস্তির পরিমাণও বেশি হয়েছে।
ফলে তাঁর মাসিক আয়ের বড় অংশ চলে যাচ্ছে ঋণের কিস্তিতে। এর সঙ্গে আছে বর্তমান বাসার ভাড়া ও সংসারের অন্যান্য খরচ। আজহারের মতো অনেকের কাছেই নিজের একটি ফ্ল্যাট থাকা জীবনের অন্যতম বড় লক্ষ্য। এর বাস্তবতাও আছে। কিন্তু বিনিয়োগের দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি একটু ভিন্ন। নিজের বসবাসের জন্য ফ্ল্যাট কেনা আর বিনিয়োগ হিসেবে ফ্ল্যাট কেনা—দুটি বিষয় এক নয়।
বিনিয়োগের দৃষ্টিকোণ থেকে তাই দেখা উচিত, ফ্ল্যাট কেনার মধ্য দিয়ে অর্থের সর্বোত্তম ব্যবহার হচ্ছে কি না।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।