কিশোর আলোর ১২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে আখতার হুসেন
আখতার হুসেন আর ফিরে এলেন না।তিন দিন আগে হাসপাতাল থেকে ফিরে লিখেছিলাম, ‘ফিরে আসুন কবি আখতার হুসেন।’ ডাক্তাররা তখনো আশাবাদী ছিলেন। আমিও আশা করেছিলাম। আজ বৃহস্পতিবার বেলা একটার দিকে বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি চলে গেলেন। মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ। আগে থেকেই ক্যানসার, হৃদ্রোগ, অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস। শরীর আর লড়াই করতে পারল না।আখতার হুসেন আমার প্রিয় মানুষ ছিলেন। শুভ্রতার প্রতীক, সরলতার উদাহরণ।
বাংলাদেশের অন্যতম সেরা কিশোর সাহিত্যিক, ছড়াকার। তিনি আমার লেখকজীবনের গুরু। আমরা একই বছরে বাংলা একাডেমি পুরস্কার পেয়েছিলাম। সেই পুরস্কারের দিনগুলোতে তাঁর হাসি আর নম্রতা আজও মনে আছে। তিনি নিজেকে কখনো বড় করে দেখাননি।বহু অসহায় পরিবারকে সহায়তা করতেন। চুপিচুপি। কাউকে জানাতেন না। কোনো মঞ্চে দাঁড়িয়ে বলতেন না। মানুষের কষ্টের খবর পেলে তিনি চলে যেতেন। এই কাজটা তাঁর সাহিত্যের মতোই ছিল।
সরল, নিঃশব্দ, আর প্রয়োজনে পাশে থাকা।আষাঢ়ে গল্পের গল্পপ্রতীকী এই ছবিতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে মডেল হয়েছেন শিশু সাহিত্যিক আখতার হুসেনতাঁর লেখা ছড়া স্কুলের পাঠ্য।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।