রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসবে সংগীত পরিবেশনা। সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হল, লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। ২৭ সেপ্টেম্বর
‘আনন্দলোকে মঙ্গলালোকে বিরাজ সত্যসুন্দর…’ সাদা-লাল পোশাকে একে একে মিলনায়তনে ঢুকছিলেন দর্শকেরা। কারও পরনে শাড়ি, কারও পোশাকে বাঙালিয়ানার ছোঁয়া। শিল্পীদের সাজেও ছিল সাদা-লালের প্রাধান্য। ২৭ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় লস অ্যাঞ্জেলসের সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হলে এমনই এক আবহে শুরু হয় রবীন্দ্র সাংস্কৃতিক উৎসব। সন্ধ্যা সাতটা। দর্শকে পূর্ণ হয়ে উঠেছে হল। মঞ্চে উঠলেন উপস্থাপক সাথী বড়ুয়া ও আশীষ কুমার ঘোষ।
তাঁদের ঘোষণার পর সবাই দাঁড়িয়ে গেলেন। প্রথমে পরিবেশিত হলো যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় সংগীত, এরপর বাংলাদেশের জাতীয় সংগীত।উৎসবে সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। সাইন্টোলজি চার্চের চ্যাপেল হল, লস অ্যাঞ্জেলেস, ক্যালিফোর্নিয়া, যুক্তরাষ্ট্র। ২৭ সেপ্টেম্বরদুই দেশের জাতীয় সংগীতের পর বিশিষ্ট কবি কাজী মাশরুল হুদার উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় মূল আয়োজন।
রবীন্দ্রসংগীত পরিষদের আয়োজনে তিন ঘণ্টার এই অনুষ্ঠানে ছিল রবীন্দ্রসংগীত, নৃত্য ও আবৃত্তি।রবীন্দ্রনাথের গান ও কবিতা বাঙালির সাংস্কৃতিক জীবনের সঙ্গে গভীরভাবে মিশে আছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।