মানুষ প্রকৃতির মধ্যে জন্ম নেয়, প্রকৃতির ওপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে এবং আখেরে প্রকৃতির কাছেই ফিরে যায়। তার শরীর মাটি, পানি, বায়ু ও খাদ্যের সমন্বয়ে গঠিত। তার শ্বাস বায়ুমণ্ডলের সঙ্গে যুক্ত, তার জীবন পানিপ্রবাহের ওপর নির্ভরশীল, তার খাদ্য জৈবিক ব্যবস্থার অসংখ্য না-দেখা সম্পর্কের নতিজা।অথচ মানুষ যখন প্রকৃতি থেকে বিচ্ছিন্ন করে নিজের অস্তিত্বকে কল্পনা করে, তখন তার নৈতিক চেতনার মধ্যেই একটি মৌলিক বিভাজন পয়দা হয়।
সে নিজের জীবনকে মূল্যবান মনে করে, কিন্তু সেই জীবনের ভিত্তিকে মূল্যহীন বানায়।ফিতরাতি বাস্তুতন্ত্রের নৈতিক তলব এই বিভাজন থেকেই শুরু হয়। সে সওয়াল করে—মানুষ যদি এমন এক অস্তিত্বব্যবস্থার অংশ হয়, যার প্রতিটি উপাদান অন্য উপাদানের সঙ্গে সম্পর্কিত, তবে সেই ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আচরণ কি শুধু ব্যবহারিক ফয়সালায় সীমিত?কোনো নদী, বন, মাটি বা প্রাণীকে বরবাদ করার ফয়সালা কি শুধু অর্থনৈতিক লাভ-ক্ষতির হিসাবেই নির্ধারিত হবে?
নাকি এর মধ্যে এমন একটি নৈতিক প্রশ্নও নিহিত থাকবে, যা মানুষের নিজের অস্তিত্বের সঙ্গে সম্পর্কিত?নদীর গতিপথ চিরস্থির নয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।