যুক্তরাষ্ট্রে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। পাশে ন্যাশনাল স্টুডেন্টস ফেডারেশনের নির্বাহী সম্পাদক চেস্টার উইলিয়ামস।
চিত্রা কাব্যগ্রন্থের একটি কবিতার নাম ‘স্বর্গ হইতে বিদায়’। গভীরভাবে দার্শনিক এই কবিতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর নিজের কথা ভেবে লেখেননি। তবে পশ্চিমে, বিশেষত ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে, তিনি যে দ্রুততায় জনপ্রিয়তার চূড়া থেকে পা পিছলে পড়েছিলেন, তাতে তাঁর নিজের বেলায় এই শিরোনাম বিন্দুমাত্র অতিরঞ্জিত নয়।নোবেল পুরস্কার প্রবর্তনের মাত্র দেড় দশকের মাথায় রবীন্দ্রনাথ প্রথম এশীয় ও প্রথম অশ্বেতাঙ্গ লেখক হিসেবে সাহিত্যে এ পুরস্কার লাভ করেন।
বাংলার কবি হলেও পুরস্কারটি তাঁকে দেওয়া হয় তাঁর ইংরেজি গীতাঞ্জলি: সং অফারিংস কাব্যসংকলনের জন্য। নোবেল কমিটির ঘোষণায় বলা হয়, ‘তাঁর গভীর সংবেদনশীল, নবীন ও সুন্দর কবিতার মধ্য দিয়ে তিনি অসামান্য দক্ষতায় নিজের ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত কাব্যভাবনাকে পাশ্চাত্য সাহিত্যের অংশ করে তুলেছেন।’এ পুরস্কার ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে রবীন্দ্রনাথকে প্রায় রাতারাতি এক অতি যশস্বী কবি বা সেলিব্রিটিতে পরিণত করে।
অপ্রত্যাশিত এই স্বীকৃতিতে কবি প্রীত হয়েছিলেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।