advertisement
advertisement

শিশুকে শৈশবে কোরআন শিক্ষার গুরুত্ব ও সহজ কিছু কৌশল


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ১০ অক্টোবর ২০২৬, ১:২৫ অপরাহ্ণ
শিশুকে শৈশবে কোরআন শিক্ষার গুরুত্ব ও সহজ কিছু কৌশল

advertisement

অনেকে মনে করেন চার বা পাঁচ বছর বয়সে শিশুদের কোরআন বা কায়দা শেখানো কঠিন। তবে আধুনিক মনস্তত্ত্ব ও বাস্তবতা অনুযায়ী, যে বয়সে শিশুরা প্রযুক্তি ব্যবহার বা বর্ণমালা শিখতে পারে, সে বয়সেই তাদের নিয়মতান্ত্রিকভাবে ধর্মীয় পাঠে অভ্যস্ত করা সম্ভব। সন্তান এখনো অনেক ছোট, অভিভাবক নিজে পড়তে পারেন না কিংবা সময়ের অভাব—এমন সামাজিক দ্বিধা কাটিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং ধৈর্য ও ভালোবাসার সঙ্গে এই পাঠ শুরু করা দরকার। প্রয়োজনে অভিজ্ঞ শিক্ষক বা মসজিদের মক্তবের সহায়তা নেওয়া যায়।

শিশুর কোরআন শিক্ষাকে সহজ ও আনন্দদায়ক করতে কিছু কৌশল অবলম্বন করা যেতে পারে। প্রতিদিন শুরুতেই দীর্ঘ সময় না দিয়ে অল্প সময় দিয়ে শুরু করা এবং সপ্তাহে অন্তত চার দিন ১০ থেকে ১৫ মিনিট করে পড়ানো ভালো। শিশুর যেকোনো ছোট অর্জনে উপহার দিয়ে বা ঘুরতে নিয়ে গিয়ে উৎসাহিত করা এবং উচ্চারণে সময় লাগলে তাড়াহুড়ো না করে ধৈর্য ধরা উচিত। পাশাপাশি মক্তব বা দলীয় শিক্ষার মতো উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করা এবং পড়াশোনার সময় পরিবারের সদস্যদের মোবাইল বা বিনোদন পরিহার করে ভালো পরিবেশে যুক্ত থাকা কার্যকর ভূমিকা রাখে।

মুসলিম ঐতিহ্যে শৈশবে শিশুদের সুসংগঠিতভাবে কোরআন শেখানোর ইতিহাস সাহাবিদের আমল থেকেই চলে আসছে। হাদিস অনুযায়ী, কষ্টে পড়ে বা আটকে আটকে কোরআন শেখার মধ্যেও দ্বিগুণ পুরস্কার রয়েছে। তাই শিশুর শেখার প্রক্রিয়াটিকে ভীতি বা শাস্তির রূপ না দিয়ে নিয়মিত অল্প অনুশীলনের মাধ্যমে একটি ভালোবাসাময় অভিজ্ঞতা হিসেবে গড়ে তোলার তাগিদ দেওয়া হয়েছে।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর