ভোটার তালিকায় অনিয়মের অভিযোগে ভারতের প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দলীয় নেতা–কর্মীদের নিয়ে রাষ্ট্রপতি ভবনের দিকে যাচ্ছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গতকাল রাজধানী নয়াদিল্লিতে
পৃথিবীর কোথাও কেউ কোনো দিন এমন বজ্র আঁটুনি দেখেছে কি না, তা নিয়ে হয়তো বাজি ধরা যেতে পারে। কেননা আন্দোলনকারীদের তুলনায় পুলিশি বহর কখনো বেশি হয় না। দিল্লি যদিও তা দেখল।৩৫ হাজার পুলিশ ও আধা সামরিক বাহিনী শুক্রবার শেষ রাত থেকে প্রস্তুতি নিয়েছে হাজার বিশেক আন্দোলনকারীকে শায়েস্তা করবে বলে। বহিঃশত্রুর মোকাবিলায়ও কখনো এমন তৎপরতা দিল্লিবাসী দেখেনি।
বোঝা গেল তেলাপোকারা নরেন্দ্র মোদির সরকার ও শাসক দল বিজেপিকে কতটা তটস্থ করে রেখেছে।দিল্লিতে ধরনা থেকে রাহুল-প্রিয়াঙ্কা গান্ধী আটক, দুই ঘণ্টা পর মুক্তিযদিও অভিজিৎ দিপকে, আশুতোষ রাঙ্কা, সৌরভ দাসের মতো ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতাদের পাশাপাশি ধ্রুব রাঠির মতো ইউটিউবারও খোলাখুলি বলতে দ্বিধা করছেন না, মোদি সরকার ভয় পেয়েছে। পতনের ভয়, কর্তৃত্ব ও মান হারানোর ভয়, ক্ষমতা হারানোর ভয়।
নইলে নিজের দেশের নাগরিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণে এভাবে জীবন মরণপণ করত না।তেলাপাকাদের জুন–জুলাইয়ের বিক্ষোভ যে অতটা মারাত্মক হয়ে উঠতে পারে, জেন–জির প্লাবনে রাজধানী ভেসে যেতে পারে, পোড়–খাওয়া দিল্লি পুলিশের অভিজ্ঞ কর্তারা তা অনুমান করতে পারেননি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।