প্রশ্ন তৈরি হয়েছে: কয়েক মাস আগেই জনগণের মতামত নেওয়া হয়েছে। তাহলে নতুন করে গণভোটের প্রয়োজন কেন?
গত ১২ ফেব্রুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে জুলাই জাতীয় সনদের ভিত্তিতে আয়োজিত সাংবিধানিক গণভোটে প্রায় ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ ভোটার অংশ নিয়ে বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতায় অনুমোদন দেন। তবে সেই ভোটের মাত্র সাত-আট মাসের মাথায় আবারও দেশে নতুন করে গণভোট আয়োজনের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আগামী জানুয়ারিতে শীতকালীন অধিবেশনে সংবিধান সংশোধন বিল আনার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছে জাতীয় সংসদের বিশেষ কমিটি।
সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত ১২ সদস্যের বিশেষ কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ জানিয়েছেন, সংবিধানে মৌলিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা থাকায় আবারও গণভোট প্রয়োজন হতে পারে। বিএনপি তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থাসহ সংবিধানের নির্দিষ্ট অনুচ্ছেদ ভবিষ্যতে পরিবর্তন রোধে গণভোটের বিধান রাখার প্রস্তাব করেছে। তবে সরকার গঠনের পর জুলাই সনদের নির্দেশনা অনুযায়ী ১৮০ কার্যদিবসের মধ্যে 'সংবিধান সংস্কার পরিষদ' গঠিত না হওয়ায় এবং সংবিধানের সংশোধন নয় বরং সংস্কারের দাবিতে জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপি সংসদীয় এই বিশেষ কমিটি এবং এর বৈঠক বর্জন করেছে।
১৯৭৭, ১৯৮৫ ও ১৯৯১ সালের পর ২০২৬ সালের গণভোটটি ছিল সরাসরি সাংবিধানিক কাঠামো পরিবর্তনের ওপর। একই দিনে সংসদ নির্বাচন ও গণভোট করে প্রায় তিন হাজার কোটি টাকা সাশ্রয় হলেও অল্প সময়ের ব্যবধানে নতুন করে ভোট আয়োজনে সময়, অর্থ ও প্রশাসনিক সক্ষমতার প্রশ্ন উঠছে। বিশ্লেষকদের মতে, নতুন গণভোটের যৌক্তিকতা নির্ভর করবে প্রস্তাবিত পরিবর্তনের প্রকৃতি, রাজনৈতিক ঐকমত্য এবং প্রক্রিয়ার স্পষ্টতার ওপর।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।