গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালার ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী আলমিনা হাসদা।
শারীরিক উচ্চতা মাত্র তিন ফুট, কিন্তু তার স্বপ্নের পরিধি সুবিশাল। খর্বাকৃতির কারণে জীবনের শুরুতেই নানা সামাজিক প্রতিকূলতা ও কটূক্তির মুখোমুখি হতে হয়েছে আলমিনা হাসদাকে। এমনকি একসময় সার্কাসের লোকজন টাকার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নিয়ে যেতে চেয়েছিল। কিন্তু জীবনের সব বাধা পেরিয়ে আলমিনা এখন নিজেকে গড়ে তুলছেন একজন চিকিৎসক হিসেবে যার স্বপ্ন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হয়ে মানুষের দৃষ্টির আলো ফেরানো।আলমিনার বাড়ি দিনাজপুরের টিকরামপুর গ্রামে।
সে হতদরিদ্র কৃষক লক্ষ্মী হাসদা ও সুখী মূর্মুর ছোট মেয়ে। গুড়িহারী শালবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণি পাসের পর খর্বাকৃতির কারণে তার পড়াশোনা প্রায় বন্ধ হতে বসেছিল। ঠিক সে সময়ই সার্কাসের দল তার মা-বাবাকে মোটা অঙ্কের টাকার বিনিময়ে আলমিনাকে তাদের কাছে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেয়।
তবে অভাব-অনটনের মাঝেও মা-বাবা মেয়েকে সার্কাসে দিতে রাজি হননি।আলমিনার এই অনিশ্চিত সময়ে পাশে এসে দাঁড়ায় গুড়িহারী-কামদেবপুর আলোর পাঠশালা।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।