advertisement
advertisement

ছেলের ঠিকানা শহরে, চরে অপিয়লের


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ৮ নভেম্বর ২০২৬, ৩:২৫ অপরাহ্ণ
ছেলের ঠিকানা শহরে, চরে অপিয়লের

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত বজরা দিয়ারখাতা চরে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করছেন প্রবীণ কৃষক মো. অপিয়ল। সম্প্রতি চিলমারী উপজেলায়

advertisement

কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র নদ বেষ্টিত বজরা দিয়ারখাতা চরে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করছেন প্রবীণ কৃষক মো. অপিয়ল। সম্প্রতি চিলমারী উপজেলায় পবিত্র ফজরের নামাজ পড়েই ব্রহ্মপুত্রের দিকে তাকান অপিয়ল। পানি বাড়ছে না কমছে, বাতাস কোন দিক থেকে বইছে, তা দেখেই ঠিক করেন দিনের কাজ। বয়স ৭৩ বছর। নামের আগে-পরে আর কিছু নেই। কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চর বজরা দিয়ারখাতায় তাঁর জন্ম, এখানেই কেটেছে জীবনের বেশির ভাগ সময়।

ব্রহ্মপুত্রের ভাঙনে জীবনে ১২ বার বসতভিটা হারিয়েছেন। ২০২৫ সালেও ব্রহ্মপুত্র নদ তাঁর বসতভিটা ভেঙেছে। এবারও ভাঙনে গেছে ভিটার একাংশ আর ধানের জমির কিছুটা। দুই বছর আগে চিলমারী উপজেলা শহরে একটি বাড়ি করেছেন, ছেলের জন্য। তবু নিজে চর ছাড়েননি। প্রতিদিন ঘুম থেকে দিন কীভাবে শুরু হয় এই প্রশ্নে অপিয়ল বলেন, ‘চরের মানুষ সকালে উঠিয়ায় আগত নদীর পারত যায়। চারদিক ছায়া দেখে রাতে কার বাড়ি ভাঙিল আর কার জমির ফসল ডুবি গেল।

এই চর ভাঙলে কোন চরে বাড়ি নেমো, এই ভাবতে ভাবতে জমির কাজকাম শুরু করি।’নদীর পেটে বাবার ৬০ বিঘাঅপিয়লের বাবা ছনদ্দি মুন্সি পাকিস্তান আমলে ৬০ বিঘা জমির মালিক ছিলেন।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর