শিক্ষাকে কিছু তথ্য মুখস্থ করানোর মাধ্যম হিসেবে না দেখে ইবনে খালদুন দেখেছিলেন মানব মনস্তত্ত্ব, সমাজবিকাশ ও সভ্যতার এক অপরিহার্য শিল্প হিসেবে।তাঁর অমর সৃষ্টি আল-মুকাদ্দিমাহ-র ষষ্ঠ পরিচ্ছেদে তিনি বিভিন্ন জ্ঞানের শ্রেণিবিন্যাস এবং শিক্ষাদানের পদ্ধতি নিয়ে যে দীর্ঘ ও গভীর আলোচনা করেছেন।শিক্ষা একটি অর্জিত শিল্পইবনে খালদুনের দৃষ্টিতে জ্ঞান মানুষের জন্মগত কোনো বৈশিষ্ট্য নয়।
মানুষ কোনো জ্ঞান নিয়ে জন্মায় না; বরং জন্মের পর অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ধীরে ধীরে সে তা অর্জন করে।
মানুষের চিন্তাশক্তি সবসময় চারপাশের জগতকে বুঝতে চায় এবং এই বোঝার তাগিদ থেকেই সমাজে নানা বিদ্যা ও পেশার উৎপত্তি হয়।ইবনে খালদুন জ্ঞানকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করেছেন: প্রথমটি হলো মানুষের বুদ্ধি ও চিন্তাপ্রসূত প্রাকৃতিক বা দার্শনিক বিজ্ঞান (যেমন গণিত, যুক্তিবিদ্যা ও প্রাকৃতিক বিজ্ঞান); আর দ্বিতীয়টি হলো ওহি ও ঐতিহ্যের ওপর নির্ভরশীল ধর্মীয় শাস্ত্র।সবচেয়ে চমকপ্রদ বিষয় হলো, ইবনে খালদুন শিক্ষাদানকে একটি ‘সিনাআহ’ বা বিশেষায়িত শিল্প ও পেশা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।