সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্নের ক্যাম্পাসে মাহিম
সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত পরমাণু বিজ্ঞানের সবচেয়ে বড় গবেষণা সংস্থা— ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর নিউক্লিয়ার রিসার্চ, সংক্ষেপে সার্ন। এই সার্নই ইন্টারনেটের জন্মস্থান। সেখানেই ইন্টার্নশিপের সুযোগ পেয়েছিলেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির মাহিম ইসলাম। পড়ুন তাঁর অভিজ্ঞতা।সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সার্নের ক্যাম্পাসে মাহিমস্কুলে সত্যেন্দ্রনাথ বসুকে নিয়ে একটা লেখা পড়েছিলাম।
সেখানেই প্রথম জানতে পারি, পদার্থবিজ্ঞানের একটা গোটা কণা শ্রেণির নাম এই বাঙালি বিজ্ঞানীর নামে, ‘বোসন’। পরে জানলাম, ২০১২ সালে সুইজারল্যান্ডের সার্নে আবিষ্কৃত হয়েছে ‘হিগস বোসন’, যাকে ‘গড পার্টিকেল’ নামেও ডাকা হয়। নামের অর্ধেকটা আমাদেরই একজনের, ছোটবেলার সেই ভাবনাটা মাথায় থেকে গিয়েছিল।সেখান থেকেই সার্ন নিয়ে কৌতূহল। পড়তে শুরু করলাম লার্জ হ্যাড্রন কোলাইডার নিয়ে।
মাটির প্রায় ১০০ মিটার নিচে ২৭ কিলোমিটার লম্বা একটা বৃত্তাকার পথ, যার ভেতর কণাগুলোকে আলোর গতির কাছাকাছি বেগে ছুটিয়ে পরস্পরের সঙ্গে সংঘর্ষ ঘটানো হয়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।