টাঙ্গুয়ার হাওরে বিষকাঁটালি
কয়েক বছর আগে টাঙ্গুয়ার হাওরে হিজলবনের ধারে বিচিত্র লতাগুল্ম আর ঝোপঝাড়ের ভেতর দুধিয়া লতার সুদৃশ্য ঝাড় দেখে বিমুগ্ধ হয়েছিলাম। অন্য গাছের মাথায় জেঁকে বসে বেশ রাজত্ব করছিল। কিন্তু গাছে কোনো ফুল ছিল না। স্থানীয় লোকজনকে জিজ্ঞেস করলাম কখন ফুল ফোটে, বলতে পারলেন না। ফুলের দেখা পেলাম বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের বোটানিক্যাল গার্ডেনে। মনে পড়ল বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের আরণ্যক গ্রন্থের কথা। সেখানে দুধিয়া ফুলের প্রসঙ্গ আছে।
তবে আমাদের দুধিয়া লতা আর আরণ্যক-এর দুধিয়া ফুল সম্ভবত ভিন্ন। আরণ্যক-এ উদ্ধৃত অংশটুকু পড়া যাক: ‘জয়ন্তী পাহাড়ের জঙ্গলে এক-প্রকার অদ্ভুত ধরনের বনপুষ্প হয়—ওদেশে তার নাম দুধিয়া ফুল। হলুদ গাছের মতো পাতা, অত বড়ই গাছ—খুব লম্বা একটা ডাঁটা ঠেলিয়া উঁচু দিকে তিন-চার হাত ওঠে। একটা গাছের চার-পাঁচটা ডাঁটা হয়, প্রত্যেক ডাঁটায় চারটি করিয়া হলুদ রঙের ফুল ধরে। দেখিতে খুব ভালো তো বটেই, ভারি সুন্দর তার সুবাস।
রাত্রে অনেক দূর পর্যন্ত সুগন্ধ ছড়ায়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।