১৯৩৬ বার্লিন অলিম্পিকে লং জাম্পে স্বর্ণ জয়ের পর জেসি ওয়েন্স
একটি দৌড় শেষ হতে সময় লাগে কয়েক সেকেন্ড। কিন্তু সেই কয়েক সেকেন্ডের দৌড় কখনো একজন মানুষের পুরো জীবনকে বদলে দিতে পারে। আবার কখনো সেই দৌড় ছাপিয়ে যায় মাঠের সীমানা, হয়ে ওঠে একটি সময়ের প্রতিচ্ছবি। জেসি ওয়েন্সের দৌড়ও তেমনই।তিনি দৌড়েছিলেন সময়ের বিরুদ্ধে, প্রতিদ্বন্দ্বীদের বিরুদ্ধে, নিজের সীমাবদ্ধতার বিরুদ্ধে। ১৯৩৬ সালের বার্লিন অলিম্পিকে তাঁর দৌড়ের অর্থ ছিল আরও বড়।
সেই সময় জার্মানিতে অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি শাসন বর্ণবাদী মতাদর্শকে সামনে রেখে নিজেদের তথাকথিত শ্রেষ্ঠত্বের প্রচার করছিল। সেই মঞ্চেই একজন কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান তরুণ একের পর এক সোনা জিতলেন। চারটি ইভেন্টে চারটি স্বর্ণপদক।তবে জেসি ওয়েন্সের গল্প শুধু চারটি স্বর্ণপদকের গল্প নয়। তাঁর গল্প শুরু হয়েছিল আরও অনেক আগে দারিদ্র্য, বৈষম্য আর সীমিত সুযোগের মধ্য দিয়ে। অলিম্পিক শেষ হওয়ার পরও সেই গল্প শেষ হয়নি।
তাই জেসি ওয়েন্সকে শুধু একজন দ্রুততম দৌড়বিদ হিসেবে মনে রাখলে তাঁর জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশটি হয়তো বাদ পড়ে যায়।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।