ইমতিয়াজের আজ খুশির সীমা নাই। অফিসে মিষ্টি বিলিয়েছে ১০ কেজি। প্রথমে ৫ কেজি আনিয়েছিল, খুশির চোটে আরও ৫ কেজি আনিয়েছে। পুরো অফিস হয়ে আছে রস রস। অফিসের কলিগরা বিস্মিত—কী হয়েছে কী ইমতিয়াজের?যেমনটা হয়, স্মোকিং জোন থেকে ব্যাপারটা শুরু হয়। পলাশ বলে প্রথমে, নতুন জায়গায় চাকরি পাইছে নিশ্চিত! ভালো প্যাকেজ। ফ্ল্যাট-গাড়ি সবই দিতেছে মেবি!ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ছাড়ে আরমান। বেচারা সাত মাস ধরে চাকরি বদল করতে চাচ্ছে। পারছে না।
তার বউ বলেছে, ‘তুমি চাকরি কেন, প্যান্ট বদলেরও যোগ্যতা রাখো না!’প্রথম প্রথম এসব কথা বিশ্বাস করত না আরমান, এখন করে। তার খুবই সন্দেহ হয়, একদিন সে সত্যি সত্যি প্যান্ট-শার্ট বদল করতে আর পারবে না। এককাপড়ে তখন চলে যাবে হিমালয়ের দিকে।কিন্তু এরই মধ্যে রাইসা আলটপকা হয়ে ওঠে। বলে, ‘তোদের কি মাথা খারাপ! চাকরির যা বাজার, তাতে কেউ সেইটা পেয়ে মিষ্টি খাইয়ে জানাবে? বরং চুপ করে রিজাইন দিয়ে টুপ করে চলে যাবে।
পরে ফেসবুকে দেবে বিরাট স্ট্যাটাস।’কথা সত্য!
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।