ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ প্রজন্ম ছিলেন সাহাবিরা। তাঁরাও ছিলেন রক্তমাংসের মানুষ এবং মানবিক ভুলের ঊর্ধ্বে তাঁরা ছিলেন না। তবে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁদের মূল পার্থক্য ছিল অপরাধবোধ ও অনুশোচনার জায়গায়। কোনো ভুল হয়ে গেলে তাঁরা তা ঢাকতে অহেতুক অজুহাত বা যুক্তি দাঁড় করাতেন না, বরং অনুতপ্ত হয়ে ক্ষমার চাইতেন।মদিনার দূরবর্তী এলাকায় এক ব্যক্তি জনৈক নারীর সঙ্গে অপরাধে জড়িয়ে পড়েন, যদিও তা চূড়ান্ত পাপাচারে গড়ায়নি।
কিন্তু লোকটির মনে চরম অপরাধবোধ জেগে ওঠে।
তিনি নবীজির দরবারে হাজির হয়ে নিজের অন্যায়ের কথা স্বীকার করেন এবং নিয়ম অনুযায়ী শাস্তি চেয়ে বসেন।ঘটনা শুনে সাহাবি ওমর (রা.) তাঁকে গোপন তওবার উপদেশ দিয়ে বলেন, ‘আল্লাহ যখন তোমার ভুলটি গোপন রেখেছেন, তখন তোমারও উচিত ছিল তা গোপন রাখা।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২৭৬৩)কেউ গুরুতর অসুস্থ হলে যেমন জীবন বাঁচাতে ওষুধ খাওয়া বন্ধ করে দেয় না, তেমনি ভুল বা পাপের সাগরে ডুবে গেলেও ইমানের মূল স্তম্ভ নামাজ কোনো অবস্থাতেই ত্যাগ করা যাবে না।শুধু দোয়া নাকি নামাজঅনেকেই মনে করেন, আল্লাহর কাছে হাত তুলে শুধু ক্ষমা প্রার্থনা বা মুখে দোয়া করলেই পাপ মোচন হয়ে যায়, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করার প্রয়োজন নেই।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।