গতকাল ঘটা করে পালিত হলো ‘আন্তর্জাতিক ব্যর্থতা দিবস’। ক্যালেন্ডারের পাতায় এই একটিমাত্র দিনকে ব্যর্থতার জন্য বরাদ্দ করা নিয়ে অবশ্য আমাদের মতো চিরব্যর্থদের মনে তীব্র ক্ষোভ রয়েছে। কারণ, আমাদের মতো লেজেন্ডদের জন্য তো বছরে ৩৬৫ দিনই এ দিবসের লাইফটাইম সাবস্ক্রিপশন চলছে!তবে এই বিশেষ দিনে আমার চোখের সামনে বারবার ভেসে উঠছিল আমাদের টিমের কনিষ্ঠ রত্ন পিয়ালের মুখটা।
পিয়ালের ব্যর্থতা সাধারণ কোনো ব্যর্থতা নয়, এটি একটি প্রাতিষ্ঠানিক, শিল্পসম্মত ও বিশ্বমানের রেকর্ড।পিয়ালকে বাইরে থেকে দেখলে বিন্দুমাত্র বোঝার উপায় নেই যে তার বুকের ভেতর ব্যর্থতার পাহাড় জমে আছে। আসলে পাহাড় বললে ভুল হবে, ব্যাপারটা একদম ব্যর্থতার হিমালয় পর্বত! বন্ধুদের আড্ডায় তার ভাবখানা এমন যেন প্রেমতত্ত্বে তার দুইটা পিএইচডি ডিগ্রি পকেটে আছে।
কার মেসেজে কয়টি হাহা রিঅ্যাক্ট দিলে প্রেম গাঢ় হয়, মুঠোফোনে কোন রিংটোন বাজলে মেয়েরা গলে জল হয়ে যায়—এসব বিষয়ে তার লেকচার শুনলে মনে হবে, সে বুঝি মজনু মিয়ার জ্যান্ত উত্তরসূরি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।