বুডিগঙ্গা নদীর ওপর তিনটি সেতু থাকা সত্ত্বেও নদী পারাপারে এখনো নৌকাকেই বেশি পছন্দ মানুষের। সম্প্রতি বাবুবাজার–সংলগ্ন সোয়ারীঘাট এলাকায়
বুড়িগঙ্গার এক পাড়ে পুরান ঢাকা, অন্য পাড়ে কেরানীগঞ্জ। তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই নদীতে ডিঙিনৌকায় যাত্রী পারাপার করেন রহমত আলী (ছদ্মনাম)। গত ৫ জুলাই কেরানীগঞ্জ থেকে তাঁর নৌকায় উঠলাম। জানতে চাইলাম, কত টাকা আয় হয়, কত খরচ হয়।রহমত বললেন, আয় ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা। এর মধ্যে নৌকার ভাড়া দিনে ১২০ টাকা। মাঝিরা যদি ধোপাঘাট থেকে যাত্রী ওঠান, তাহলে চাঁদা দিতে হয় দিনে ১০০ টাকা। আর যদি বাদামতলী থেকে যাত্রী ওঠান, তাহলে দিতে হয় ৫০ টাকা।
দুই পাড় থেকে ওঠালে ১৫০ টাকা। কোনো কোনো মাঝি তাই দুই ঘাট থেকে যাত্রী না নিয়ে এক ঘাট থেকে নেন এবং ওপারে নামিয়ে খালি নৌকা নিয়ে চলে আসেন। আর দিনে ১৫ টাকা দিতে হয় নৌকা পাহারার নামে।নৌকার মাঝিদের কাছ থেকে এই চাঁদাবাজি চলছে বছরের পর বছর ধরে।
সরকার বদলালে দেশজুড়ে চাঁদাবাজির যেমন হাত বদলায়, তেমনি বুড়িগঙ্গার ঘাটগুলোতেও চাঁদা নেওয়ার লোক বদলে যায়।বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) সূত্রে জানা গেছে, বুড়িগঙ্গা নদীর নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে কেরানীগঞ্জের জিনজিরা টিনপট্টিঘাট পর্যন্ত মোট ১৭টি ঘাট রয়েছে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।