‘হ্যারি–পটার’ সিরিজ
২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে কিছুটা অনিচ্ছাকৃতভাবেই হ্যারি পটারের বইগুলো হাতে নিয়েছিলাম। কেননা, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান বলে কথা! হাজার হাজার স্টলের মধ্যে ঘণ্টাখানেক খুঁজে শেষ পর্যন্ত নিজের আগ্রহেই খালু বইগুলো কিনে দিয়েছিলেন। সাধারণত আমি বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই পড়ি। তাই বাবাও ওই ঘরানার বই এনে দেন। বাবার সুবাদে অবশ্য মেঘনাদবধ কাব্য পড়ারও শখ মিটেছে। আম্মুর দেওয়া নন-ফিকশন বই তো আছেই।
এত এত সাহিত্যিক ও নন-ফিকশনের বইয়ের মধ্যে যেন উঁকি দিলেন জে. কে. রোলিং।পড়া শুরু করলাম মোটা মোটা বইগুলো। কই, একঘেয়েমি তো লাগল না! আমি যেন হগওয়ার্টস এক্সপ্রেসে চড়ে ছুটতে লাগলাম জাদুকর ও জাদুকরীদের স্কুলের নানা প্রান্তে। আসলে লেখকের গদ্যশৈলী দেখে অবাক ও নির্বাক হয়ে গিয়েছিলাম।
সেই থেকেই পটারহেড হওয়া।হ্যারি পটার সিরিজের ডবির সমাধি বাঁচাতে সরাতে হলো ৫৮০ মিলিয়ন ডলারের বিদ্যুৎ প্রকল্পহ্যারি পটার আর বইগুলোর কাহিনি বন্ধুদের বোঝাতে আমাকে বেশ বেগ পেতে হয়, কারণ ওরা বোঝার চেষ্টাই করে না।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।