বিজিবি–বিএসএফের সহায়তায় শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখে মেয়ের পরিবার। আজ বৃহস্পতিবার সকালে মেহেরপুরের মুজিবনগর সীমান্তের শূন্যরেখায়
মায়ের বাড়ি ভারতে। বাংলাদেশে বিয়ে হওয়ায় মেয়ে থাকেন মেহেরপুরের মুজিবনগরে। ভিসা জটিলতায় দীর্ঘদিন মাকে দেখতে ভারতে যেতে পারেননি। হঠাৎ গতকাল বুধবার রাতে মায়ের মৃত্যুর খবর পান। কিন্তু কাঁটাতারের বাধায় চাইলেও সহজে যাওয়ার সুযোগ নেই। শেষবারের মতো মায়ের মুখ দেখতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবির) শরণাপন্ন হন মেয়ে।
পরে বিজিবি ও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সহায়তায় সীমান্তের শূন্যরেখায় মাকে দেখেন মেয়ে হাফিজা খাতুন ও তাঁর স্বামী ফিকির আলী।আজ বৃহস্পতিবার সকালে মুজিবনগরে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের ১০৯ নম্বর প্রধান পিলারের কাছে তাঁদের এই সুযোগ করে দেওয়া হয়। মায়ের মুখ শেষবারের মতো দেখে মেয়ে ও জামাতা আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। হাফিজার শ্বশুরবাড়ি মুজিবনগর উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে।
২০২০ সালে তাঁদের বিয়ে হয়।হাবিলদার শরিফুল ইসলাম, বিজিবির নাজিরাকোনা বিওপির কমান্ডারমানবিক আবেদনের পর আমরা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ করি।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।