বাংলাদেশে প্রায় দেড় দশকের বেশি সময় শিক্ষকতা, প্রশিক্ষণ ও শিক্ষার্থীদের সহায়তার সঙ্গে যুক্ত থাকার পর এবার আমি নিজেই আবার শিক্ষার্থীর আসনে। পার্থক্য শুধু এটুকু নয় যে এবার শ্রেণিকক্ষটি বাংলাদেশের বাইরে।
বরং একজন শিক্ষক হিসেবে এত বছর যে শিক্ষাব্যবস্থার ভেতর দিয়ে কাজ করেছি, তার বাইরে এসে অন্য একটি শিক্ষাব্যবস্থাকে একজন শিক্ষার্থীর চোখ দিয়ে দেখার সুযোগ পেয়েছি।ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সমাজবিজ্ঞান বিষয়ে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর শেষে ২০১১ সালে বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশের তিনটি সরকারি কলেজে (মাইকেল মধুসূদন কলেজ, যশোর; ব্রজলাল কলেজ, খুলনা ও খুলনা সরকারি কলেজ) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তর, জাতীয় কারিকুলামের উচ্চমাধ্যমিক স্তরের পাশাপাশি খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক স্তরে শ্রেণি পাঠদানে যুক্ত ছিলাম।
পাশাপাশি বাংলাদেশ সরকারের পাঁচটি শিক্ষা প্রজেক্টে শিক্ষক প্রশিক্ষণে মাস্টার ট্রেইনার হিসেবে কাজ করেছি।প্রশিক্ষক হিসেবে কাজের সুযোগ হয়েছে মাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষক প্রশিক্ষণ কলেজ, চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মী প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট, আঞ্চলিক লোকপ্রশাসন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, ন্যাশনাল একাডেমি ফর অটিজম ও নিউরোডেভেলপমেন্টাল ডিজঅ্যাবিলিটিজে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।