হেমন্তের এক ভোর। পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় মহানন্দা নদীর তীরে দাঁড়িয়ে আছেন একদল মানুষ। নদীর ওপারে ভারতের ভূখণ্ড। চারপাশে তখনো সকালের কোমল আলো। হঠাৎ উত্তরের দূর আকাশে চোখ রাখতেই দেখা যায়, নীল দিগন্তের ওপর ভেসে উঠেছে সাদা কিছু পর্বতচূড়া। সূর্যের প্রথম আলো পড়তেই সেগুলো কখনো গোলাপি, কখনো সোনালি, আবার কখনো ঝকঝকে সাদা হয়ে উঠছে। দেখে মনে হতে পারে আকাশের গায়ে কেউ যেন বরফের পাহাড় এঁকে রেখেছে।
এই দৃশ্য দেখতেই প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হাজারো প্রকৃতিপ্রেমী ছুটে যান পঞ্চগড়ে। তাঁদের গন্তব্য তেঁতুলিয়া। উদ্দেশ্য একটাই—বাংলাদেশের মাটিতে দাঁড়িয়ে হিমালয়ের কাঞ্চনজঙ্ঘা দেখা। কিন্তু বাংলাদেশের সীমান্ত থেকে এত দূরের পর্বত কীভাবে দেখা যায়? আমরা আসলে কাঞ্চনজঙ্ঘার কতটুকু দেখতে পাই? আর হিমালয় ও কাঞ্চনজঙ্ঘা কি একই জিনিস?
এসব প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে প্রথমে বুঝতে হবে পর্বতটির ভৌগোলিক পরিচয়।অনেকেই তেঁতুলিয়ায় গিয়ে বলেন, তাঁরা হিমালয় দেখতে এসেছেন।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।