আবু ইসহাকের (১ নভেম্বর ১৯২৬ – ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৩) প্রতিকৃতি অবলম্বনে
কোনো লেখকের নাম উল্লেখের সঙ্গে সঙ্গে যদি তাঁর কোনো লেখার কথা আপনার মনে পড়ে, বুঝে নিতে হবে ওই লেখক তাঁর লেখা দিয়েই আপনার কাছে পৌঁছেছেন। যেমন আবু ইসহাকের নাম শুনলেই আমাদের মনে পড়ে যায় তাঁর অমর উপন্যাস সূর্য-দীঘল বাড়ীর কথা। ১৯৫৫ সালে প্রকাশিত উপন্যাসটি পাঠকদের কাছে বিপুলভাবে সমাদৃত হওয়ার কারণ সম্ভবত এই যে এই উপন্যাসে নিখুঁতভাবে পূর্ব বাংলার গ্রামীণ জীবনকে আঁকা হয়েছিল।
সত্যি বলতে কি, অবিভক্ত ভারতের বাংলা সাহিত্যে গ্রামীণ জীবন বারবার বর্ণিত হলেও এবং আমাদের নমস্য পূর্বসূরি কথাশিল্পীরা অতি নিষ্ঠার সঙ্গে সে কাজটি করলেও, পূর্ব বাংলার জীবন তাতে খুব বেশি পাওয়া যেত না। সূর্য–দীঘল বাড়ীতে পাঠকেরা নিজেদের গ্রামকেই দেখতে পেয়েছিলেন, পেয়েছিলেন চলতি পথে যাদের চোখে পড়ে তাদের দেখাও। তবে এ–ও সত্যি, এই উপন্যাস সব পাঠকের জন্য নয়।
মনোরঞ্জনের জন্য বা অলস সময় কাটাবার জন্য যাঁরা উপন্যাস পড়েন, এই উপন্যাস তাঁদের মোটেই ভালো লাগবে না; বরং জীবনের দুর্বহ বাস্তবতার নিপুণ ছবি দেখে তাঁদের মনের শান্তি বিঘ্নিত হবে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।