advertisement
advertisement

ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আশার আলো: জাপানের ‘মিরাকল পাইন’


সময় নিউজ ২৪ | প্রতিবেদক: Md Munna প্রকাশিত: ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৪:১৯ অপরাহ্ণ
ধ্বংসস্তূপের মধ্যে আশার আলো: জাপানের ‘মিরাকল পাইন’

যে ঢেউ একদিন ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছিল সব পাইনগাছ, আজ সেই ঢেউয়ের পাশেই নতুন করে লাগানো পাইনগাছগুলো মাথা তুলে দাঁড়াচ্ছে। তারা যেন বলে, ধ্বংস শেষ কথা নয়; জীবন আবারও ফিরে আসে, সবুজ হয়ে, আশার হয়ে। নতুন পাইন বন আর সমুদ্রের মধ্যে দাঁড়িয়ে আমি আর সুসুমু চান।

advertisement

২০১১ সালের ১১ মার্চ, জাপানের উত্তর–পূর্বাঞ্চলে আঘাত হানে গ্রেট ইস্ট জাপান ভূমিকম্প। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৯ দশমিক শূন্য। মুহূর্তের এক প্রচণ্ড কম্পনে কেঁপে ওঠে গোটা অঞ্চল। ভূমিকম্পের পর আছড়ে পড়া ভয়াবহ সুনামি যেন এক নিমেষে মানুষের সাজানো পৃথিবীকে তছনছ করে দেয়। ভূমিকম্পে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত শহরগুলোর মধ্যে ইওয়াতে প্রিফেকচারের রিকুজেনতাকাতা একটি।

আর এই শহরের তাকাতা মাতসুবারা সমুদ্রসৈকতের তীরে দাঁড়িয়ে আছে একটি বিখ্যাত পাইনগাছ—মিরাকল পাইন। জাপানিজ ভাষায় যাকে বলা হয়, ‘কিসেকি নো ইপ্পন মাতসু’। যার বাংলা অর্থ, অলৌকিকভাবে বেঁচে থাকা একটি পাইনগাছ। রিকুজেনতাকাতা শহরের উপকূলীয় তাকাতা মাতসুবারা সমুদ্রসৈকতটি একসময় বিশাল পাইন বনের জন্য বিখ্যাত ছিল। দুই কিলোমিটার উপকূলজুড়ে প্রায় ৭০ হাজার পাইনগাছ দাঁড়িয়ে ছিল।

উপকূলীয় পরিবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ এই বনের অনেক গাছের বয়স ছিল ৩০০ বছরের বেশি।

সূত্র: প্রথম আলো

advertisement
advertisement

জাতীয় বিভাগের আরো খবর