মানুষের ব্যক্তিত্ব, চিন্তা ও মানসিক রুচির সবচেয়ে স্পষ্ট প্রতিফলন ঘটে তার কথাবার্তায়।
একজন মানুষ কীভাবে কথা বলে, শব্দ নির্বাচনে কতটা সতর্ক থাকে এবং অপ্রয়োজনীয় আলাপে কতটা সংযম বজায় রাখে, তা দিয়েই নির্ধারিত হয় তার আত্মিক গভীরতা ও চরিত্রের মান।ইসলাম তাই মানুষের মুখনিঃসৃত ভাষাকে নিছক কোনো সাধারণ অভ্যাস হিসেবে দেখেনি; বরং একে সরাসরি ইমানি দায়িত্ব ও আমলনামার অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে গণ্য করেছে।পবিত্র কোরআনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, ‘মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে, তা লিপিবদ্ধ করার জন্য তৎপর প্রহরী (ফেরেশতা) তার পাশেই নিয়োজিত থাকে।’ (সুরা কাফ, আয়াত: ১৮)কথা বলার ক্ষেত্রে মুমিনের মৌলিক আচরণ কেমন হওয়া উচিত, তা স্পষ্ট করে রাসুল (সা.) এক অনন্য মূলনীতি ঘোষণা করেছেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ইমান রাখে, সে যেন উত্তম ও কল্যাণকর কথা বলে অথবা নীরব থাকে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৬০১৮)এই নীতিমালার আলোকে কথা বলার সময় প্রতিটি মুমিনের আটটি জরুরি বিষয় খেয়াল রাখা আবশ্যক।সব সত্য কথা সব সময় বা সব স্থানে উচ্চারণ করা বুদ্ধিমত্তার কাজ নয়।
একটি কথা সত্য হলেও তা যদি সময়োপযোগী না হয়, কারও অপ্রয়োজনীয় ক্ষতি ডেকে আনে।
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।