প্রতিবেশী বলতে শুধু কোনো নির্দিষ্ট ধর্ম, গোষ্ঠী বা রক্তের সম্পর্কের মানুষকে বোঝায় না; বরং সামাজিক, ধর্মীয় বা পেশাগত অবস্থাননির্বিশেষে যাঁরাই আমাদের কাছাকাছি বসবাস করেন, তাঁরাই প্রতিবেশী। চাই তিনি মুসলিম হোন বা অমুসলিম, ধনী হোন কিংবা দরিদ্র, স্বাধীন নাগরিক হোন বা দিনমজুর।জীবনের উত্থান-পতন, আনন্দ-বেদনা ও প্রাত্যহিক নানা প্রয়োজনে প্রতিবেশীরাই সবার আগে একে অপরের সান্নিধ্যে আসেন।
বিপদে-আপদে স্বজনদের চেয়েও অনেক সময় প্রতিবেশীর সহায়তাই আগে পৌঁছায়।তাই প্রতিবেশীর সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা শুধু একটি সামাজিক শিষ্টাচার নয়, বরং এটি ইসলামের দৃষ্টিতে পূর্ণাঙ্গ ইমানের অপরিহার্য দাবি।প্রতিবেশীর শ্রেণিবিভাগপবিত্র কোরআনে প্রতিবেশীর সঙ্গে সদাচরণের নির্দেশ দিয়ে আল্লাহ–তাআলা বলেন,‘তোমরা আল্লাহর ইবাদত করো এবং তাঁর সঙ্গে কাউকে শরিক কোরো না।
আর পিতা-মাতা, আত্মীয়স্বজন, এতিম, অভাবগ্রস্ত, নিকট-প্রতিবেশী, দূর-প্রতিবেশী, পার্শ্ববর্তী সঙ্গী, মুসাফির এবং তোমাদের অধীনদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো।’ (সুরা আন-নিসা, আয়াত: ৩৬)এই আয়াতে প্রতিবেশীর তিনটি ভিন্ন স্তরের উল্লেখ পাওয়া যায়:১. নিকট–প্রতিবেশী: যার সঙ্গে পারিবারিক সম্পর্ক বা ধর্মীয় নৈকট্য রয়েছে অথবা যার বাসস্থান একেবারেই সন্নিকটে।২. দূর-প্রতিবেশী: যার সঙ্গে আত্মীয়তার কোনো যোগসূত্র নেই, ভিন্ন ধর্মাবলম্বী কিংবা যার বাড়ি কিছুটা দূরে অবস্থিত।৩. পার্শ্ববর্তী সঙ...
সূত্র: প্রথম আলো
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ নিউজ প্রকাশ হলে তাৎক্ষণিক সতর্কতা পাবেন।
এই নিউজ সাইটটি মোবাইলে অ্যাপের মতো ইনস্টল করে দ্রুত ব্যবহার করুন।